আপনি কি কখনো বড়শি দিয়ে মাছ ধরেছেন? বড়শির মাথায় টোপ লাগিয়ে পুকুরে ফেলে দেয়া, আর অপেক্ষা করা কখন মাছ ঠোকর দিয়ে বড়শি গিলবে।

কখনো দেখা যায় টোপ দিয়ে শুধু পুটি মাছ ধরছেন, আবার কখনো ভালোমতো টোপ দিতে পারলে রাঘব বোয়ালও ধরা পড়ছে আপনার বড়শিতে। পুরো ব্যাপারটিই অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করছে।

কি? পড়তে এসেছেন পিপিসি ক্যাম্পেইন সম্পর্কে, আর এখন শুনছেন বড়শি দিয়ে মাছ ধরার গল্প শুনে অবাক হচ্ছেন? কিছুক্ষণের মধ্যেই আপনি বুঝে যাবেন বড়শি দিয়ে মাছ ধরার সাথে পিপিসি ক্যাম্পেইনের কি সম্পর্ক।

কোর্সটি করার জন্য ক্লিক করুন

ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগে, পিপিসি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা দখল করে আছে। যদিও সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এবং  ফেসবুক মার্কেটিং ইদানীং বেশ ভালো জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। তবে ফেসবুক মার্কেটিং এক্সপার্ট হওয়ার পাশাপাশি আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং সম্পর্কেও ভালো ধারনা রাখতে হবে।

পিপিসি PPC (Pay per click) কি এবং কীভাবে কাজ করে?

বড়শি দিয়ে যেমন মাছ ধরতে আপনার প্রত্যেকটা মাছ ধরার পেছনে খরচ হচ্ছে। ঠিক তেমনই প্রত্যেকটি ক্লিকের জন্য আপনাকে এই প্রসেসের মধ্যে পেমেন্ট করতে হয়।

মাছ যখন টোপ গিলে নেয়, তখন যেমন প্রত্যেকটা টোপের পেছনের আপনার খরচ হয় ঠিক তেমনই প্রত্যেকটি ক্লিকের জন্য আপনার গুগুলের বা ফেসবুকের মত কোন বিজ্ঞাপন দাতা কোম্পানিকে আপনার টাকা দিতে হচ্ছে।

What-Is-PPC-How-Paid-Search-Marketing-Works

এখন আপনার বড়শিতে যেমন পুটি মাছ ধরা পড়বে নাকি রাঘব বোয়াল ধরা পড়বে সেটা যেমন সম্পূর্ণ নির্ভর করে আপনার অভিজ্ঞতার উপরে।

ঠিক তেমনই এখানে আগ্রহী ব্যক্তিরা যখন আপনার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে, তখন সেখান থেকে আপনি আদৌ কতটা লাভবান হতে পারবেন সেটা নির্ভর করে আপনার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং কৌশলের উপর।

এছাড়াও ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন ট্রেন্ডসগুলোর সাথেও যদি আপনি আপডেটেড থাকেন, তাহলে লাভ ছাড়া আপনার কোন ক্ষতি হবে না। যেমন একজন ব্যক্তি যদি আপনার বিজ্ঞাপনের ক্লিক করে

কোন পণ্য ক্রয় করুক অথবা না করুক আপনাকে বিজ্ঞাপন দাতা প্রতিষ্ঠানটিকে কিন্তু একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করতেই হবে। আদতে এই পিপিসি ক্যাম্পেইনগুলোর মূল উদ্যশ্য হল আপনার বিজ্ঞাপনে আগ্রহী ব্যক্তিদের ক্লিক এনে দেয়া।

আদতে পিপিসি ক্যাম্পেইনের জন্য গুগুলের মত যে কোন সার্চ ইঞ্জিন খুব চমৎকার কাজ করে থাকে। কেননা কেউ যদি একটি বিষয়ে সার্চ দেয় তাহলে আপনার বিজ্ঞাপনটিকে সেই সার্চ রেজাল্টের শুরুতেই দেখায়।

যেমন ধরুন আপনি যদি মিষ্টি  বিক্রয় করে থাকেন অনলাইনে, তাহলে অবশ্যই চাইবেন যে মিষ্টি লিখে গুগুলে সার্চ দেয় তার সার্চ রেজাল্টে আপনার বিজ্ঞাপনটি প্রদর্শন করাতে?

কিন্তু কেন? কারণ সেই ব্যক্তি আদতে আগ্রহী বলেই মিষ্টি সম্পৃক্ত কিছু লিখে গুগুলে সার্চ দিয়েছে। এখন সেখানে শুরুতেই যদি আপনার বিজ্ঞাপনটি প্রদর্শন করা যায় তাহলে আপনার পণ্যটি বিক্রয় হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেড়ে যায়।

এখন আপনি যেমন আপনার পণ্য অর্থাৎ মিষ্টির বিজ্ঞাপন দিতে চাচ্ছেন, ঠিক তেমনই হয়ত আরো অসংখ্য মানুষ আপনার মতই নিজেদের পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে চাইছে।

এখানেই শুরু হয় কম্পিটিশন এবং আপনার পণ্যের যত বেশি কমপিটিশন থাকবে বিজ্ঞাপনের দাম অর্থাৎ প্রতিটি ক্লিকের দাম ঠিক ততই বেশি হবে।

এখানেই আপনাকে অনেক বেশি বুদ্ধিমত্তা খাটিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে হবে। যেমন ধরুন মিষ্টি লিখে অনেকেই সার্চ দেয় এবং এই সার্চে অনেকেই বিজ্ঞাপন দেয় আর তাই এর দামও অনেক বেশি হবে। আপনি যদি এখন লংটেইল কিওয়ার্ড দিয়ে বিজ্ঞাপন দেন, যেমন “ঢাকার মধ্যে ভালো মিষ্টি” লিখে যদি কেউ সার্চ দেয় এবং আপনি সেখানে নিজের বিজ্ঞাপন দেখান, তাহলে আপনার যেমন খরচ কম হবে।

ঠিক একই ভাবে এমন কথা লিখে সার্চ দেয়ার মানুষও কম হবে অর্থাৎ আপনার বিজ্ঞাপনের ক্লিকও হয়ত কম আসবে।

আপনি যদি একটু বুদ্ধিমত্তা এবং কৌশলের সাথে বিজ্ঞাপন প্রদান করতে পারেন তাহলেই আপনি বিজ্ঞাপনটিকে সর্বচ্চ ভাবে কাজ লাগাতে পারবেন। এছাড়া গুগুলের বেশ কিছু ফ্রি টুলস রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে আপনি বিজ্ঞাপনগুলোকে আরো বেশি কার্যকরী করে তুলতে পারবেন এবং নিজের ওয়েবসাইটের ট্রাফিক সম্পর্কে আরো ভালো আইডিয়া পাবেন।

আর আপনার যদি ই-কমার্স সাইট থাকে, তাহলে ই-কমার্স সাইটের এসইও ঠিক আছে কি না, সেটাও আপনাকে বিবেচনায় রাখতে হবে।

আপনার বিজ্ঞাপন একাউন্টকে ব্যবহারের সুবিধার জন্য ম্যানেজমেন্ট এবং রিপোর্টিং বিভাগে আলাদা আলাদা ভাবে বিভক্ত  করে আপনি ভিন্ন ভিন্ন লোকেশন, পণ্য এবং অন্যান্য আলাদা ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিপোর্ট পেতে পারবেন।

এছাড়া বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইনগুলোও কিওয়ার্ড সম্বলিত এড গ্রুপ এবং রিলেভেন্স এড ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। আসুন একটি গুগুল পিপিসি বিজ্ঞাপনের অন্যান্য আরো প্রয়োজনীয় বিষয় সম্পর্কে জেনে নেইঃ

কিওয়ার্ড

একটি পিপিসি ক্যাম্পেইন বা বিজ্ঞাপনের একদম মুলেই রয়েছে কিওয়ার্ড। কেননা একেকটি কিওয়ার্ডের উপরেই মূলত আপনি বিজ্ঞাপন দিবেন। আদতে মানুষের সার্চ দেয়া শব্দগুলোর সাথে যদি আপনার কিওয়ার্ডের মধ্যে মিল পাওয়া যায় তাহলেই সেই সার্চে আপনার বিজ্ঞাপনটি দেখানো হবে।

এই সঠিক কিওয়ার্ডটির উপর বিজ্ঞাপন করতে হলে আপনার অবশ্যই কিওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারনা থাকতে হবে।

আপনি যদি এমন ভাবে বিজ্ঞাপন দেন যে আপনার কিওয়ার্ডটি যে কোন সার্চের মধ্যে আসলেই অথবা সার্চের মধ্যে মিল থাকলে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, তাহলে সেটা বেশ ইফেক্টিভ হবে।

এছাড়াও বিজ্ঞাপনের সময় আপনি চাইলে কিছু শব্দকে নেগেটিভ কিওয়ার্ড হিসেবেও দিয়ে রাখতে পারেন। অর্থাৎ সার্চের মধ্যে যদি এমন কোন শব্দ থাকে, তাহলে সেই সার্চে আপনার বিজ্ঞাপনটি দেখাবে না।

যেমন ধরুন আপনি ব্যবসা করছেন মিষ্টির আর ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মিষ্টি আপনার ব্যবসায় বানানো হয় না। আর তাই আপনি যদি ডায়াবেটিক কথাটিকে নেগেটিভ কিওয়ার্ড হিসেবে দিয়ে রাখেন, তাহলে কেউ যদি “ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য মিষ্টি” লিখে সার্চ দেয় তাহলে আপনার বিজ্ঞাপনটি দেখাবে না।

এছাড়াও একই ভাবে আপনি অন্যান্য আরো শব্দ যেগুলো আপনি বিক্রি করেন না, সেগুলো দিয়ে রাখার মাধ্যমে আপনার বিজ্ঞাপনটিকে আরো বেশি কার্যকরী করে তুলতে পারেন।

বিজ্ঞাপন ক্যাম্পেইন এবং এডস (PPC Ads)

কিওয়ার্ডের সাথে সাথে আপনাকে বিজ্ঞাপনটিও সঠিক ভাবে সেট করে দিতে হবে। আপনার বিজ্ঞাপনের কিওয়ার্ডের পাশাপাশি আরো তিনটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ। সেগুলো হলঃ

** হেডলাইন

** ইউআরএল

** ডিসক্রিপশন

যখনই সার্চ রেজাল্টের শুরুতে আপনার বিজ্ঞাপন দেখাবে, তখন এই তিনটি অংশই সর্ব প্রথম মানুষের চোখে পড়বে। আর তাই বিজ্ঞাপনে অনেক বেশি ক্লিক পাওয়ার জন্য আপনাকে এই লেখাগুলো খুব আকর্ষণীয় ভাবে সাজিয়ে নিতে হবে।

আপনার লেখাগুলো এমন ভাবে দিতে হবে, যাতে এই লেখা পড়েই মধ্যে আপনার পণ্য অথবা সার্ভিস সম্পর্কে আগ্রহ চলে আসে এবং তারা আপনার বিজ্ঞাপনের ক্লিক করে আপনার সার্ভিসটি গ্রহণ করে।

ফরম্যাটের ক্ষেত্রে বলতে গেলে একটি বিষয় সম্পর্কে জেনে রাখা ভালো, আর সেটা হল গুগুলে বিজ্ঞাপন দেয়ার সময় সেই বিজ্ঞাপন এর টেক্সট বোল্ড করার মাধ্যমে সেটাকে আরো বেশি কার্যকর করে তুলতে পারবেন।

এছাড়া জেনে রাখা ভালো যে, আপনার যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে সেটাতে আপলোড করা ছবিগুলো এসইও অপটিমাইজ করতে পারলে সাইটের ভিজিটর অনেক বৃদ্ধি পাবে। তবে হ্যাঁ! গুগুলে ফার্স্ট পেজে র‍্যাংক করাতে হলে আপনাকে অনেকগুলো বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে।

বাজেট এবং বিডিং

যে কোন কিছুর ক্ষেত্রেই বাজেট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একটি নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ক্ষেত্রে আপনি ঠিক কত টাকা খরচ করতে ইচ্ছুক সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর সেই টাকা খরচ করে আদৌ কি আপনার কোন লাভ হবে কি না সেটা আপনাকে প্রথমেই ভেবে নিতে হবে।

এক্ষেত্রে কখনো দেখা যায় যে দৈনিক বাজেট থেকে মাঝেমধ্যে ভালো ফলাফল আসা শুরু করলে গুগুল নিজ থেকেই আরেকটু বাড়তি বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে দেয়। যেখানে আপনার দৈনিক বাজেট থেকে একটু অতিরিক্ত খরচ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গুগুল কখনই আপনার মাসিক অথবা সাপ্তাহিক বাজেটের অতিরিক্ত খরচ করবে না।

বিজ্ঞাপন র‍্যাংকিং

এখানে শুধু যে আপনি বেশি টাকা দিলেই আপনার বিজ্ঞাপন দেখানো হবে এমনটা যদি ভেবে থাকেন তাহলে আপনি ভুল ভাবছেন। ঠিক এজন্যই আগে বারবার বলেছিলাম কৌশল এবং বুদ্ধির কথা। আপনার বিজ্ঞাপনটি সবার প্রথমে দেখাবে কি না, সেটার জন্য গুগুল বেশ কিছু বিষয় বিবেচনায় রাখেঃ

** বিডিং এমাউন্ট অর্থাৎ আপনি প্রতি ক্লিকে কত টাকা দিতে ইচ্ছুক

** আপনার বিজ্ঞাপন কতটা রিলেভেন্ট

** আপনার বিজ্ঞাপন কতটা কোয়ালিটি সম্পন্ন

** ইউজার কোন ধরণের ডিভাইস থেকে ঠিক কি লিখে সার্চ দিচ্ছেন

** বিজ্ঞাপনের ফরম্যাট

এছাড়াও আপনার বিজ্ঞাপনে যদি বেশি বেশি ক্লিক আসা শুরু হয়, তাহলে গুগুল আপনার বিজ্ঞাপনটিকে অন্যান্য বিজ্ঞাপনের আগে দেখাবে। মানুষ আপনার বিজ্ঞাপন দেখে সন্তুষ্ট হচ্ছে কি না, ক্লিক করে সেখানে থাকছে কি না এগুলোও বিজ্ঞাপন র‍্যাংক করার জন্য যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

আর ঠিক একই ভাবে আপনার বিজ্ঞাপনে যদি মানুষের ক্লিক কম আসে, তাহলে গুগুল অটোমেটিক সেই বিজ্ঞাপনকে অন্যান্য বিজ্ঞাপনের পেছনে রেখে দেয়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে, বিজ্ঞাপনটি আকর্ষণীয় ভাবে লিখে দেয়ার মধ্যেও অনেক কিছু নির্ভর করে থাকে।

টার্গেটিং

আপনি ঠিক কাকে উদ্দেশ্য করে বিজ্ঞাপনটি দিতে চাচ্ছেন সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই সঠিক উদ্দেশ্য বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করলেই আপনার বিজ্ঞাপনটি বেশি কার্যকর হয়ে উঠবে। যেমন ধরুন আপনার যদি কোন মোবাইল এপসের বিজ্ঞাপন থাকে, তাহলে সেটা পিসি ইউজারদের কাছে দেখিয়ে আপনার কিন্তু আদতে কোন লাভ নেই। কারণ পিসি ইউজাররা তখন সেটা মোবাইলে ইন্সটল করবে না।

ঠিক একই ভাবে, লোকেশন অর্থাৎ কোন যায়গায় বিজ্ঞাপনটি প্রদর্শন করতে চাচ্ছেন সেটাও আগে থেকে ঠিক করে নিন। যেমন আপনি যদি পণ্য শুধুমাত্র ঢাকায় ডেলিভারি করেন তাহলে খুলনায় বা রাজশাহীতে এই বিজ্ঞাপনটি দেখিয়ে আপনার তেমন কোন লাভ নেই।

বিজ্ঞাপনে কত টাকা খরচ করে কত আয় করছেন?

আদতে আমরা সবাই বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকি, যাতে আমাদের ব্যবসার প্রসার হয়। আর সেক্ষেত্রে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে যাতে করে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশি না হয়।

আপনি যত টাকা খরচ করে বিজ্ঞাপন দিচ্ছেন, সেটা যেন আপনার পণ্য সেল করে বা সার্ভিস সেল করে উঠে আসে। লাভ না হলে আপনাকে অবশ্যই বুঝতে হবে আপনার টোটাল প্ল্যানিং এ কোন ধরণের সমস্যা রয়েছে।

আর আপনি যদি এমন সমস্যার সম্মুখীন হয়ে থাকেন যে, আপনার বিজ্ঞাপনের টাকাই উঠে আসছে না তখন আপনাকে আবার সবকিছু পুনর্বিবেচনা করতে হবে। আপনার দেয়া বিজ্ঞাপনগুলোর রিপোর্ট এনালাইস করে ডেটা ড্রিভেন পদ্ধতিতে যদি আপনি বিজ্ঞাপন দিতে পারেন তাহলেই আপনি অনেক বেশি লাভবান হতে পারবেন।

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to Top