বাসায় বসে কাজ করা অর্থাৎ ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থ উপার্জন সম্পর্কে জানেন না এমনটা বোধহয় তেমন কেউ নেই। আর বর্তমান সময়ে ডিজিটালাইজেশনের প্রভাবের ফলে এই কাজটা এখন অনেকখানি সহজ হয়ে এসেছে। স্বল্প মূল্যে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সংযোগের কারণে, কিছু প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই এখন যে কেউ হয়ে উঠতে পারেন ফ্রিল্যান্সার।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নানা ধরনের চাহিদার ফলে, তাদের জন্যও একজন বিগিনার লেভেলের পার্মানেন্ট লোককে না রেখে বরং একজন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সারের মাধ্যমে কাজটি করিয়ে নিতে অনেক বেশি সুবিধা। পাশাপাশি এতে কখনো কখনো কম খরচের মধ্যেই গুণগত মানের দিক থেকে সর্বচ্চ সেবাটি নিশ্চিত করা যায়।

আর এই ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা দিনদিন বেড়েই চলছে এবং সব চাইতে মজার বিষয় হল এইসব ফ্রিল্যান্সারদের বেশীরভাগের বয়সই গড়ে ত্রিশের নিচে। যে কোন বিষয়ে যদি একদম প্রফেশনাল হয়ে যাওয়া যায় তাহলে কোন নির্দিষ্ট কোম্পানির সাথে কাজ না করে বরং ফ্রিল্যান্সিং করলেই অর্থ বেশি উপার্জন করা যায় এবং কাজের ক্ষেত্রে থাকে অনেক সুবিধা।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনঃ 

চাকরি কিংবা ব্যবসার বাইরে অনলাইনে আয়ের উপায় !

তবে এই ফ্রিল্যান্সাররা ঠিক কত টাকা আয় করেন ? অথবা একজন ফ্রিল্যান্সার হয়ে আমি কত টাকা আয় করতে পারব ? এই ধরনের প্রশ্ন আমাদের সবার মনেই প্রায় ঘুরপাক খায়। পেয়োনিয়ারের একটি গবেষণা বলছে, বিশ্বব্যাপী ফ্রিল্যান্সাররা গড়ে ঘণ্টায় ১৯ ডলারের মত আয় করে থাকেন। তবে এই আয়ের ব্যাপারটি ফ্রিল্যান্সারদের উপর নির্ভর করে, যেহেতু এটি একটি গড় আয় তাই বলা যেতে পারে কোন কোন প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার ঘণ্টার এর থেকে অনেক বেশি আয় করে থাকেন। আবার একদম বিগিনার লেভেলের ফ্রিল্যান্সার এর থেকে আরো অনেক কম করে থাকেন।

২০২০/২১ সালে যে কাজগুলোর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সিং করে সবচাইতে বেশি আয় করতে পারবেন

আপনি হয়ত ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন, কিন্তু ঠিক কোন বিষয়ের উপর নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করবেন সেটা এখনো হয়ত ঠিক করতে পারছেন না। আর তাই আসুন জেনে নেই, বর্তমান ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে কোন ধরনের কাজের চাহিদা কেমন। এছাড়া আরো জেনে নেই যে কাজগুলোর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সার হয়ে সব চাইতে বেশি আয় করতে পারবেন।

AliExpress.com Product – MEGIR Big Dial Fashion Men’s Military Sports Watches Waterproof Silicone Strap Casual Quartz Wrist Watch Male Relogio Masculino

ওয়েব এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট

>> ছয় লাখেরও বেশি ফ্রিল্যান্সার এই বিষয়টি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কাজ করছেন

>> এদের মধ্যে ২০ শতাংশ ফ্রিল্যান্সার ঘণ্টায় গড়ে ৫০ ডলার করে আয় করছেন

>> এই বিষয়টির মধ্যে সব চাইতে জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্স হলঃ অ্যামাজন সার্ভিস, ওয়ার্ডপ্রেস, মোবাইল ডেভেলপমেন্ট

যারা নিজেদের ব্যবসাকে অনলাইনে নিয়ে আসতে চান অথবা অনলাইনে নিজেদের অস্তিত্বকে ফুটিয়ে তুলতে চান তাদের সবার জন্য একটি ওয়েবসাইট আবশ্যিক। এছাড়াও ছোটখাটো অনেক প্রতিষ্ঠানই বেশীরভাগ সময়ে আলাদা একজন প্রফেশনাল লোককে পার্মানেন্টলি না রেখে সর্বোচ্চ একজন প্রফেশনালকে দিয়ে নির্দিষ্ট একটি কাজ করিয়ে নিতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে থাকেন।

আর তাই এই ওয়েব এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের ক্লায়েন্টের কোন অভাব মার্কেটপ্লেসে কখনই হয় না। বিশেষ করে ফাইভার এবং আপ-ওয়ার্কের মত বড় বড় দুইটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ওয়েবসাইটের মধ্যে এই বিষয়ে কাজ প্রচুর পরিমাণে হয়ে থাকে। এছাড়া মোটামুটি বিগিনার লেভেল থেকে প্রফেশনাল লেভেলের সবাই প্রায় নিয়মিতই কাজ করে যাচ্ছেন। এদের মধ্যে প্রায় বিশ শতাংশেরও বেশি ফ্রিল্যান্সার গড়ে ঘণ্টায় ৫০ ডলারের বেশি আয় করে থাকেন।

সময় যত আধুনিক হচ্ছে ততই সফটওয়্যার এবং ওয়েবের মধ্যে নিত্য নতুন চমৎকার ও নান্দনিক সব কাজ করার সুযোগ হচ্ছে। আর তাই যারা ইতোমধ্যেও কাজ করিয়েছেন তারা সময়ের সাথে নিজেদের কাজগুলো আরো আপডেট করিয়ে নিতে প্রতিনিয়তই ফ্রিল্যান্সারদের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

ক্রিয়েটিভ ডিজাইন

>> ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে প্রায় ছয় লাখেরও বেশি ফ্রিল্যান্সার এই বিষয়ে কাজ করছেন

>> চৌদ্দ শতাংশেরও বেশি ফ্রিলান্সার এই বিষয়ে গড়ে ঘণ্টায় ৬০ ডলারের মত আয় করছেন

>> সব ধরনের কোম্পানিরই ক্রিয়েটিভ ডিজাইনের প্রয়োজন হয়

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের যুগে প্রায় ছোট থেকে বড় উদ্যোক্তা সবাই জানেন যে কাস্টমারদের কাছে নিজেদের একটু ভিন্নভাবে পরিচিত করতে পারলে আরো বেশি কাস্টমারের কাছে নিজেকে পৌঁছে দেয়া যাবে। একটি চমৎকার এবং নান্দনিক ডিজাইনের কারণে মানুষ আপনার কোম্পানি সম্পর্কে অনেক বেশি মনে রাখতে পারবে এবং কোম্পানির বিভিন্ন বিষয়ে তারা অনেক বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

বর্তমানে ইউএক্স ডিজাইনার, গ্রাফিক্স ডিজাইন সহ প্রিন্ট রিলেটেড আরো অন্যান্য অনেক কাজের মাধ্যমেই মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারার সুযোগ সৃষ্টি করা যায়। আর তাই এই প্রতিযোগিতার যুগে সবাই নিজেদেরকে আলাদা ভাবে উপস্থাপন করার প্রচেষ্টায় প্রতিনিয়তই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সারদের শরণাপন্ন হয়ে চলছেন।

আর এই ধরনের ডিজাইনের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র কাজ জানা থাকলেই হয় না বরং আপনাকে হতে হবে অনেক বেশি ক্রিয়েটিভ। আর তাই ক্রিয়েটিভ ফ্রিল্যান্সাররাই এই প্রতিযোগিতায় টিকে তো থাকছেনই এবং মার্কেটপ্লেসে রাজত্ব করে যাচ্ছেন। বর্তমানে সফটওয়্যারের সহজলভ্যতা এবং শেখা তুলনামূলক ভাবে একটু সহজ হওয়ার কারণে গ্রাফিক্সের দিকে সবাই অনেক বেশি ঝুঁকে পড়ছেন।

আর তাই এই বিষয়ে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যাও দিন দিন বেড়েই চলেছে, তবুও ক্লায়েন্টের কোন কমতি নেই বরং প্রতিযোগিতা মূলক এই মার্কেটপ্লেসে নিজেদের একটু আলাদা ভাবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য সবাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং ক্রিয়েটিভ ডিজাইনারদের শরণাপন্ন হচ্ছেন প্রায় প্রতিনিয়তই।

কন্টেন্ট রাইটার

>> সাড়ে পাঁচ লাখেরও বেশি কন্টেন্ট রাইটার রয়েছে

>> প্রায় ছয় শতাংশ রাইটার ঘণ্টায় ৫০ ডলার আয় করছেন

>> ট্রান্সলেশন, রিভিউ, ব্লগ, কন্টেন্ট মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে

বর্তমানে যে কোন ওয়েবসাইট গুগল সার্চ রেজাল্টে আসতে হলে তাকে অবশ্যই এসইও করে নিতে হয়। আর এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য ওয়েবসাইটের কন্টেন্ট হল সবচাইতে বড় হাতিয়ার।

“কন্টেন্ট হল সবকিছুর মূল” এই কথাটি বর্তমান মার্কেটপ্লেসে প্রায় সবসমই শোনা যায়। এই প্রতিযোগিতা মূলক মার্কেটে নিজেকে আরো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করার অন্যতম মাধ্যম হল কন্টেন্ট। আর তাই আপনি যদি একটু ভালোভাবে লিখতে পারেন এবং আপনার লেখার মধ্যে অনন্য একটি স্টাইল ও নান্দনিকতা থেকে থাকে তাহলে মার্কেটপ্লেসে আপনার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলবে।

বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুনঃ 

কীভাবে একজন কন্টেন্ট রাইটার হতে পারবেন ?

ট্রান্সলেশনের কথা ভাবতে গেলে অনেকেই হয়ত চিন্তা করছেন, আমি গুগলের মধ্যেই ট্রান্সলেশন কেন করিয়ে নিচ্ছি না ? হ্যাঁ! আপনি হয়ত করে নিতে পারবেন, তবে সেটার মান এখনও অতটা ভালো হয়ে উঠেনি যে মানুষ সেই লেখা পড়ে আপনার কোম্পানির প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠবে।

এছাড়া এই কন্টেন্ট রাইটিংয়ের মধ্যে এসইও অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের বিভিন্ন নিয়ম কানুন মেনে এসইও কন্টেন্ট যদি লিখতে পারেন তাহলেও আপনার চাহিদা বেশ বেড়েই চলবে। আর তাই বুঝতেই পারছেন কন্টেন্ট রাইটিংয়ের সাথে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের একটি জোড়াল সম্পর্ক রয়েছে।

ঠিক এই জন্যই আপনি যদি কন্টেন্ট রাইটিং করার কথা ভেবে থাকেন তাহলে শুধুমাত্র লেখালেখির পাশাপাশি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের দিকেও একটু মনোযোগী হতে হবে বা এই বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা থাকতে হবে আপনার।

প্রায় সব ডিজিটাল মার্কেটাররাই এখন একটা কথাই বলেন, আর সেটা হল, “content is the king”। আর এই কন্টেন্টের যুগে একটু ভালোভাবে লিখতে পারলে আপনার ক্লায়েন্টের কোন অভাবই হবে না বরং অভিজ্ঞতার আলোকে চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলবে। 

ভার্চুয়াল এসিস্টেন্ট বা এডমিন সাপোর্ট

>> প্রায় চার লাখ ফ্রিল্যান্সার এই কাজে নিয়োজিত আছেন

>> দুই শতাংশের বেশি ফ্রিলেন্সার এই কাজে ঘণ্টায় গড়ে ৬০ ডলারের মত আয় করে থাকেন

>> যে কোন বিষয়ে আপনি যদি জ্ঞান থাকে তাহলে সেই বিষয়ের উপরে আপনি অনলাইনে কারো এসিস্টেন্ট হিসেবে কাজ করতে পারবেন

হ্যাঁ ! যখন ফ্রিল্যান্সিং শব্দটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে তখন হয়ত এই ভার্চুয়াল এডমিন কথাটি তেমন একটু উল্লেখ্য হয় না। তবে যে কোন প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য একজন পার্মানেন্ট লোককে নিয়োগ না দিয়ে বরং অনলাইনে একজন প্রফেশনাল এসিস্টেন্ট রেখে দিলে সেটা অনেক বেশি ফলপ্রসূ হয়ে থাকে।

আর তাই প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট, এডমিন সাপোর্ট, কাস্টমার কেয়ার জাতীয় বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিনিয়তই সাহায্যের প্রয়োজন হয়। আর এই বিষয়ে সর্বোচ্চ প্রফেশনালদের সাহায্য আপনি শুধুমাত্র ফ্রিলান্সারদের থেকেই পাবেন।

বিভিন্ন অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ফ্রিল্যান্সারদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে

একাউন্টিং এবং ফাইন্যান্স

>> প্রায় দেড় লাখেরও বেশি ফ্রিল্যন্সার এই বিষয় নিয়ে কাজ করছেন

>> শতকরা ৪৬ শতাংশ ফ্রিল্যান্সার ঘণ্টায় গড়ে ৫০ ডলার করে আয় করে থাকেন

>> ট্যাক্স, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যান, ফাইনানশিয়াল এনালাইসিস সহ বিভিন্ন হিসেব নিয়ে এই ধরনের ফ্রিল্যান্সাররা কাজ করে থাকেন

ফাইনানশিয়াল দিকগুলো নিয়ে যদিও আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিতে ফ্রিল্যান্স দিয়ে কাজ করানো তেমন একটা হয়ে উঠে না। শুধুমাত্র অডিটের ক্ষেত্রেই দেখা যায় কোন একটি কোম্পানি অন্য একটি অডিট কোম্পানি দিয়ে নিজেদের অডিটিং এর কাজগুলো করিয়ে নিচ্ছে। তবে উন্নত বিশ্বে একেকটি কোম্পানির বিভিন্ন ধরনের ফাইনানশিয়াল বিশেষজ্ঞের সাহায্যের প্রয়োজন পড়ে।

এছাড়া বিভিন্ন ধরনের নিত্য নতুন একাউন্টিং এবং ফাইন্যান্স সফটওয়্যার ব্যবহার জানা থাকা ফ্রিল্যান্সারদেরও বেশ ভালো চাহিদা রয়েছে। ফাইভার, আপওয়ার্ক সহ আরো বেশ কিছু ওয়েবসাইটে একটু খেয়াল করলেই বুঝা যাবে যে শুধুমাত্র লোকাল কোম্পানিগুলোরই যে ফাইনানশিয়াল বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হয় তা নয় বরং বিভিন্ন অনলাইন ভিত্তিক কাজের ক্ষেত্রেও ফাইনানশিয়াল বিশেষজ্ঞের সাথে আলাপ করার প্রয়োজন হতে পারে।

আর তাই নিত্য নতুন প্রযুক্তির সাথে সাথে ফাইন্যান্স এবং একাউন্টিং রিলেটেড নিত্য নতুন সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন অনলাইন কাজের ক্ষেত্রে এই ধরনে ফ্রিল্যান্সারদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

কীভাবে বুঝবেন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কোন বিষয়টি আপনার জন্য উপযোগী ?

অনলাইনে ক্লায়েন্টরা সবসময় নিজেদের ব্যবসার জন্য সর্বোচ্চ প্রফেশনালের সাহায্য খুঁজে বের করেন এবং এক্ষেত্রে আপনাকে সব চাইতে ভালো সার্ভিসটাই সুনিশ্চিত করতে হবে। আর তাই ফ্রিল্যান্স শেখার জন্য এমন একটি বিষয় নিশ্চিত করুন যে বিষয়টি আপনার ব্যক্তিগত জীবনের সাথে মাননসই। অথবা যে বিষয়ের উপরে সর্বোচ্চ প্রফেশনাল হওয়া আপনার পক্ষে সম্ভব।

আর তাই প্রথমেই কোন একটি বিষয় নিশ্চিত করে সেটার উপর ঝাঁপিয়ে না পড়ে, আগে সেই বিষয়টি নিয়ে অনলাইনে অল্প বিস্তর পড়ালেখা করুন। দেখুন যে এই বিষয়টি আপনাকে আকর্ষণ করে কি না অথবা এই বিষয়টি নিয়ে আপনি সর্বোচ্চ প্রফেশনাল হয়ে উঠতে পারবেন কি না।

প্রথমেই অল্প বিস্তর চেষ্টা করে নেয়া ভালো, কেননা দেখা গেল আপনি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট শিখতে গেলেন অথচ গিয়ে দেখলেন আপনি কোডিং কিছুই বুঝছেন না। আর তাই এই বিষয়টি নিয়ে যদি আপনি আগেই অনলাইনে হালকা দেখে নিতে পারেন তাহলে আপনার প্রশিক্ষণ নিতে যেয়ে টাকাও নষ্ট হল না। আপনি শুরুতেই বুঝতে পারবেন যে এই বিষয়টি নিয়ে আপনি আরো সামনে এগিয়ে যেতে পারবেন কি না।

লেখক পরিচিতিঃ

Md.Arifur Rahman

Arifur Rahman, Digital Marketing Expert , SEO Expert , Digital Marketing Trainer, PPC Expert ,Social Media Specialist,Consultant, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস, ফ্রিল্যান্সার, ফ্রিল্যান্সিং

Digital Marketing Expert | SEO Expert | Digital Marketing Trainer |
PPC Expert | Social Media Specialist | Consultant

ভালো লাগলে শেয়ার করুন

1 thought on “ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে যেসব কাজগুলো দিয়ে সব চাইতে বেশি আয় করা সম্ভব !

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    Back to Top